নিরাপত্তা: মানুষের ৬ টি মৌলিক অধিকারের একটি হলো নিরাপত্তা। জাতিসংঘ ও সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে রাষ্ট্র। কিন্তু কে বা কারা এমন একটি ভূল ধারনা বাংলার মানুষের ভিতর প্রবেশ করে দিয়েছে? মাঠ পর্যায়ে বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপত্তার কাজটি করে থাকে পুলিশ বাহিনী।জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে পুলিশের পক্ষে সকল মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব না।অামাদের মানসিক অবস্থার অবনতির কারনে নিজেদেরকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে টাকার বিনিময়ে পুলিশকে ব্যবহার করে থাকি।যা অতি লজ্জা জনক। যদি নিরপিত্তার দায়ভার অামরা নিজেরা নিয়ে থাকি তবে হয়রানি অনেকটা কমবে।কিন্তু অামাদের একটা ভূল ধারনা দেওয়া হচ্ছে রাষ্ট্র অামাদের নিরপিত্তা দিবে।কোন একসময় বা এখনো গ্রাম গঞ্জে কাউকে বিনা কারনে বা কোন কারনে মারধর করলে অাশেপাশের মানুষ এগিয়ে এসে সমাধানের চেষ্টা করে । কিন্তু ভিন্ন চিত্র শহরগুলোতে কাউকে কারনে অকারনে মারা হচ্ছে অাশেপাশের মানুষগুলো একপলক চোখ বুলিয়ে চলে যাচ্ছে।রাস্তায় মেয়েদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে অনেকে দেখেও না দেখার ভাব ধরে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে।কেননা তারা জানে এর নিরাপত্তা দিবে রাষ্ট্র।অাসলে এই নিরাপত্তার কাজটি যদি অামরা অাশেপাশের মানুষ করে থাকতাম তাহলে অপরাধিরাও অনেকটা সচেতন হয়ে যেত। কোন এক সময় মহল্লার যুবকেরা রাস্থাদিয়ে ঘুরাঘুরি করতো তাদের জন্য বাহিরের ছেলেরা ঐ মহল্লার মেয়েদের হয়রানি করতে পারতো না।কিন্তু এখন ভিন্ন চিত্র মাদকে অাসক্ত হওয়ার কারনে অাগের মতো অার মহল্লায় সচেতন যুবকশ্রেনি দেখতে পাওয়া যায় না। কারন তারা রাতভর ইয়াবা(বাবা)সেবন করে দিনভর ঘুমায় । অাগে এরা সাধারন মানুষকে নিরাপত্তা দিত অার এখন এদের হাত থেকে সাধারন মানুষদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশ দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।জনগনের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে তাদের বুঝাতে হবে অামরা একে অপরকে নিরাপত্তা দিব। কোথাও অন্যায় অপরাধ দেখলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা প্রতিহত করার চেষ্টা করব।গত র্নিবাচনের সময় বি এন পি , জামাতের হরতালে শত শত মানুষ যখন পেট্টোলে জ্বলচ্ছিল এবং প্রশাসন ছিল নিরুপায় তখন কিন্তু সাধারন মানুষের হস্তক্ষেপে একের পর এক পেট্টোল হামলাকারি প্রশাসনের হাতে ধরাপরে। অাসুন সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একে অপরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।
লেখক: মানবতাবাদী শামীম শেখ।
