
বালিয়াকান্দি(রাজবাড়ী) ঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের কোনাগ্রাম গড়াই নদীর চর থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনকারী চক্র আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের বাঁধা উপেক্ষা করে দিনের পর দিন এ চক্রটি বালু কেটে বিক্রি অব্যাহত রেখেছে।
স্থানীয় বাসিন্ধারা জানান, এখন গড়াই নদীর চর জুড়ে ফসলের চাষ হয়। পিয়াজ, গম, ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ভালো ফলন হচ্ছে। প্রতিবছর চর জেগে উঠার পরই কোনাগ্রাম গড়াই নদীর চর থেকে শুরু করে বালু কেটে বিক্রি। এবারও ওই চক্রটি শুরু করেছে বালু কেটে বিক্রি। গত বছর উপজেলা প্রশাসন অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করাসহ অবৈধ গাড়ী জ্বালিয়ে দেয়। এ বছরও জামসাপুরের আজের আলী মহাজনের ছেলে জামাল মহাজন, চাঁদ আলী মন্ডলের ছেলে মাসুদসহ কতিপয় ব্যক্তি বালু কেটে বিক্রি শুরু করে। কয়েকবার নারুয়া ইউনিয়ন ভুমি অফিসের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা জনাব আলী এসে বন্ধ করে যায়। কিছুক্ষন বন্ধ থাকার পর পুনরায় শুরু হয় বালু উত্তোলনের কাজ।
রবিবার সকালে সরেজমিন গড়াই নদীর কোনাগ্রাম বালু চরে গিয়ে দেখাযায়, বালু উত্তোলন করে নিয়ে যাওয়ার জন্য সড়ক মেরামত করা হয়েছে। চর কেটে গাড়ীতে করে বালু নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশে বিতৃর্ণ চরের বুক জুড়ে হয়েছে ফসলের চাষ। বালু কেটে গাড়ীতে করে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছে জামাল মহাজন।
বালু উত্তোলনের বিষয়ে জামাল মহাজনের কাছে জানতে চাইলে প্রথমে চুপ থাকার পর জানান, কয়েক গাড়ী বালু নিয়েছি। তহশীলদার নিষেধ করে যাওয়ায় কয়েকদিন বন্ধ রাখা হয়। আজ থেকে কয়েকগাড়ী বালু নিয়েছি। আপনারা নিষেধ করলে আর বালু উত্তোলন করবো না।
নারুয়া ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা জনাব আলী জানান, গড়াই নদীর কোনাগ্রাম চর থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। তা সত্বেও বালু উত্তোলন করলে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম রেজা জানান, গত বছর অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করাসহ অবৈধ গাড়ী জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এবারও খবর পেয়ে ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাকে পাঠিয়ে বন্ধ করা হয়। তা সত্বেও বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
গড়াই নদীর চর থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনকারী চক্র সক্রিয়
নিউজ আপডেট টাইম : নভেম্বর, ১২, ২০১৮, ৫:১৭ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে :
394 বার
