সময় রাত ১০:৫৪, শনিবার, ২৫শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১২ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

রাজশাহীর নগর পিতা কে হবেন? বিএনপির কান্ডারি বুলবুল না মিলন..?

রাজশাহী বিভাগীয় চীফ : রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ী বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল আবারও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে প্রায় পঞ্চাশ হাজার ভোটে হারানো বুলবুল আশা করছেন তাকেই আবার প্রার্থী করবে বিএনপি। তবে অতটা নির্ভার হতে পারছেন না তিনি, কারণ নগর বিএনপিরই আরেকজন নেতা নির্বাচন করতে আগ্রহী। রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিলনও বলেছেন, তিনি আগামী নির্বাচনে ভোটে দাঁড়াতে চান। তবে শেষ পর্যন্ত দলের শীর্ষপর্যায় যাকে মনোনয়ন দেবে তাকে জয়ী করতে কাজ করার কথাও বলেছেন এই বিএনপি নেতা। ২০১৩ সালের ১৬ জুন রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটের পর ২১ জুলাই আরও তিন মেয়রের সঙ্গে শপথ নেন মেয়র বুলবুল। মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন করতে হয় বিধায় আগামী বছরের ২১ এপ্রিল থেকে যে কোনো সময় হতে পারে এই ভোট। এই হিসাবে ভোটের আরও অন্তত নয় মাস বাকি থাকলেও এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা। এরই মধ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগ তাদের প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। গতবারে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী লিটন নির্বাচনী প্রস্তুতিতে মাঠেও নেমে গেছেন। গত নির্বাচনেও বুলবুলের পাশাপাশি বিএনপিতে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক ছিলেন শফিকুল ইসলাম মিলন। তিনি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেও দলের নির্দেশে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। নগর বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা জানান, কেন্দ্র থেকে বুলবুল পছন্দের প্রর্থী হলেও নগরে দলের ভেতর তার বিরোধিতা রয়েছে। মহানগর বিএনপির সভাপতি হওয়ার পর তাকে দলের শক্তিশালী একটি অংশের বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছিলো। এ নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রেও কমিটি বাতিলের দাবি জানানো হয়েছিল। কমিটি করাকে কেন্দ্র করে সাবেক সভাপতি ও প্রভাবশালী নেতা মিজানুর রহমান মিনু ও শফিকুল হক মিলনের সঙ্গে বুলবুলের সম্পর্কে কিছুটা টানাপড়েন আছে বলেও শোনা যায়। যদিও মিনু এবং মিলন দুজনই এমন গুঞ্জনের কথা অস্বীকার করেছেন। উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের এই প্রতিবেদককে বিএনপির এই দুই নেতা বলেন, রাজশাহী বিএনপিতে কোনো কোন্দল নেই। দলীয় কোন্দলের বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘বিএনপির সব নেতা-কর্মী ঐক্যবদ্ধ। আগামী নির্বাচনে দলীয়ভাবে প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর মাঠে সেটি দেখা যাবে। ’ অন্যদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মহানগরের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনকে বলেন,‘বিএনপিতে কোন্দল নয়, প্রতিযোগিতা আছে। এটা থাকতেই পারে। আগামী সিটি নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন দেবে নেতা-কর্মীরা তার পক্ষেই মাঠে থাকবেন ।

সম্পাদকঃ  অনুজিত সরকার
প্রকাশকঃ মুহাম্মদ রকিবুল হাসান
ই-মেইলঃ [email protected]

কপিরাইট © ২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক রাজবাড়ী