রাজশাহী বিভাগীয় চীফ : ঢাকা-রাজশাহী ও খুলনা-ঢাকা রেলপথের একমাত্র প্রবেশ পথ ভাঙ্গুড়া স্টেশন থেকে বড়াল নদীর পুরাতন ঘাট অভিমুখের লাইনটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় অন্ততঃ ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বেদখল হয়ে গেছে।
ভাঙ্গুড়া ঘাট স্টেশনের এখন কোন নিশানা, চিহ্ন নেই। স্টেশন ঘর ও গুদাম, ভূমি খেকোরা গ্রাস করেছে।
রেল চত্তর দখল করেছে বিভিন্ন দোকানদাররা। মূল্যবান সব রেলপাত ও লোহার স্লিপার দোকানদারদের ঘরের মাটির নিচে চাপা পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
স্টেশন অভিমুখে রেল লাইনের পাতগুলো অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ইতিমধ্যে অসংখ্য নাট-বোল্ট চুরি হয়ে গেছে।
দ্রুত রেলপাতগুলো সরিয়ে না নিলে সেগুলোও খোয়া যাবে বলে আশংকা করা হচ্ছে। রেল চত্তরের দক্ষিণে ঘাট লাইনের জায়গা দখল করে ঘর-বাড়ি নির্মানের হিড়িক পড়েছে। প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা।
বিশেষ সূত্রে জানা যায়, কতিপয় ব্যক্তি রেলওয়ের কাননগু’র সহায়তায় মূল্যবান এসব জায়গার পজিশন মোটা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিচ্ছে।
রেলওয়ের স্টেট বিভাগের কর্মকর্তারা ও হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা টাকা।
পাকশীর ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা এবং রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের জিএম ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খায়রুল আলম জানান, তারা রেলের জায়গার পজিশন বিক্রি সম্পর্কে অবগত নন। তবে অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে।
তবে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, রেলপাতগুলোর রক্ষার স্বার্থে রেলের প্রয়োজন না হলে এগুলো দ্রুত সরিয়ে ফেলা উচিত।
এতে করে অনেক মূল্যবান সম্পদ রক্ষা পাবে। রেল ওয়ের সম্পত্তিগুলোও নিয়মানুযায়ী লিজ দিয়ে সরকার ব্যাপক রাজস্ব আয় করতে পারে।
আর এ সবই হতে পারে রেলওয়ের পরিকল্পনা মাফিক। তখন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও লিজধারিগণ নিয়মের মধ্যে কাজ করতে বাধ্য থাকবেন এবং দূর্নীতিরও সুযোগ থাকবে না।
ভাঙ্গুড়ায় রেলওয়ের ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বেদখল- গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা!
নিউজ আপডেট টাইম : আগস্ট, ১৭, ২০১৭, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে :
152 বার
