একসময় পুলিশ মানে ছিল চোখ রাঙ্গানো বুট জুতোর লাথি। পুলিশ এসেছে ? এলাকা জনমানব শুণ্য। বাচ্চা খাবার খাচ্ছে না , পুলিশের ভয় দেখিয়ে খাবার খাওয়ানো। এ ধরনের অসংখ্য ঘটনা।
কিন্তু বর্তমানের চিত্রটা ভিন্ন, গত শনিবারই(২৮অক্টোবর) গেল কমিউনিটি পুলিশিং ডে । প্রতি বছর অক্টোবর মাসের শেষ শনিবার দিবসটি পালিত হয়ে থাকে ।কমিউটিনি পুলিশিং এর মূল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সাধারন জনগনের সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে সমাজ থেকে অপরাধ কমিয়ে অানা। দিবসটিতে জনগনের প্রতি পুলিশ বাহিনীর অাহব্বান থাকে বন্ধুত্বের । এখন অার ভয় নয় ইচ্ছা হলেই জনগন তাদের কথা শেয়ার করতে পারবে অাবার গোপনীয়তা বজায় রাখার অাশ্বাস দিয়েছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাগন।
কমিউনিটি পুলিশিং ডে তে পুলিশের অনেক সিনিয়র কর্মকতা পৌছে যায় জনগনের একদম নিকটে, শুনতে চায় তাদের মনের কথা । জনগনের প্রতি পুলিশের অাহব্বান থাকে অাশুন একসাথে কাজ করে সমাজকে সুন্দর করি । পুলিশ ই জনতা , জনতাই পুলিশ ।
বর্তমানে কিন্তু জনগনও পিছিয়ে নেই ,পুলিশের বিভিন্ন অপরাধের কথা পুলিশের সামনেই বলে দিচ্ছে নির্ভয়ে। যা পূর্বে কল্পনাও করা যায় নি। বর্তমানে অনেক পুলিশ সদস্যও সচেতন হয়েছে কেননা অপরাধ করলে তো অারে গোপন থাকবে না।যার কারনে অপরাধও অনেকটা কমে এসেছে।
কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে জনসভার অায়োজন করা হয়। জনগন তাদের অভিযোগ তুলে ধরে সিনিয়র কর্মকতাদের সামনে এবং জানতে চায় সমাধানের পথ। অনেক জুনিয়র পুলিশ কর্মকতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও অভিযোগ ছিলনা ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের বিরুদ্ধে।পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাগন সাধারন জনগনের জন্য তাদের মোবাইল নাম্বার উন্মক্তো করে দেয় এবং তাদের যে কোন সমস্যার কথা বলতে বলা হয়।
সর্বপরি সকলের মুখে একটি কথাই ছিল ,পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ। যেন একই সুতোয় গাঁথা একটি মালা।
লেখা : মানবতাবাদী শামীম শেখ
