আতাউর রহমান খান মিলন :
ঐতিহাসিক “শোলাকিয়া ঈদখানা”আজ
শুধু বাংলাদেশ বা এ উপমহাদেশ নয়,সারা বিশ্বে
পরিচিতি লাভ করেছে।
এ ঈদখানার প্রতিষ্টাতা কিশোরগঞ্জের হয়বতনগর
জমিদার বাড়ি।যার সংগে কয়েকশত বছরের ইতিহাস
জড়িত।
এই জমিদার বাড়ির আপাততঃ শেষ সূর্য সন্তান সৈয়দ
রেজওয়ানুল্লাহ বাসার। যিনি কিশোরগঞ্জের মাটি ও
মানুষের সাথে মিশে আছেন। কারো কাছে বাসার
ভাই,কারো কাছে বাসার মামা,কারো কাছে শুধুই
বাসার।
তবে তার ভাইগ্না-ভাগ্নির সংখ্যা অজস্র।অংক কষতে
বসলে ফল মিলাতে অনেক সময় ব্যয় করতে হবে।
গতকল্য ১২ই ডিসেম্বর ছিল ইনার ৬০তম জন্মদিন।”কিশোরগ
ঞ্জ সংস্কৃতি মঞ্চ”এর উদ্যোগে উনার সমস্ত ভাইগ্না-
ভাগ্নিরা মিলে দিনটি ঘটা করেই পালন করেছেন।
অনুষ্ঠানস্হল ছিল ” বিয়াম ল্যাবোরেটরি স্কুল
“মিলনায়তন।
ছিল এক মহা মিলন।কিশোরগঞ্জস্হ প্রশাসনের উচ্চ পদস্হ
কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সামাজিক সাংস্কৃতিক জগতের
অনেক সন্মানিত ব্যক্তিবর্গ শিল্পী, সাহিত্যিক, কবি,
ছড়াকার, আইনজীবি সহ উপস্হিত ছিলেন এক ঝাঁক
ভাইগ্না ভাগ্নি।সবার জন্যই অনুষ্ঠানটি ছিল সফল এবং
উপভোগ্য।
যেজন্য আমার এই লেখার অবতারণা।অনুষ্ঠানস্হল থেকে
একটি ঘোষনা আসে আজকের এই দিনটি মানে ১২ই
ডিসেম্বরকে “মামা দিবস” হিসাবে পালন করার।
অনুষ্ঠানস্হলের উপস্হিত সবাই ১২ই ডিসেম্বরকে “মামা
দিবস”হিসাবে কিশোরগঞ্জে পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করি।
এখন আসি আসল কথায়।
বর্তমান বিশ্বেতো কত দিবসই পালিত হচ্ছে ঘটা করে।
আমরা কি একটা দিনকে “মামা দিবস”হিসাবে পালন
করতে পারি না? আমরা তো কিশোরগঞ্জে ১২ ই
ডিসেম্বর শুরু করে দিয়েছি,আপনারা কি যার মামার
জন্মদিন যে দিনই হোক এই একটা দিনকে উপলক্ষ করে
“মামা দিবস” পালন করে মামারা চিরবিদায় নেওয়ার
আগে মামাদের অন্তরে একটু শান্তি দিতে পারি না?
দুবার মাকে ডাকলে মামা হয়।আসুন না সবাই যার যার
অবস্হান থেকে শুরু করি।হয়তঃ কোনদিন এটা
আন্তর্জাতিক স্বৃকৃতি ও পেয়ে যেতে পারে।
