
স্টাফ রিপোর্টার ঃ রাজবাড়ী-২ (পাংশা, বালিয়াকান্দি, কালুখালী) আসনে কোন বিরোধ না করে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। শনিবার আওয়ামীলীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার পর এ অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সলিসিটর মুহাম্মদ মেহেদী হাসান।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটি সদস্য সলিসিটর মুহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, সর্বকালের সর্বশেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আদর্শের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কে তার আদর্শ, যুগপোযোগী করে গড়ে তুলতে ও ভবিষ্যৎ কর্ম মুখর দিনগুলোতে আরও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক। তার পিতার নাম, আবদুল রহিম মোল্লা। তার মাতা রেজিয়া বেগম। গ্রাম বাওকুড়ী, পোস্ট: বাওনাড়া, উপজেলা: কালুখালী, জেলা: রাজবাড়ী। তিনি বিবাহিত। স্ত্রীর নাম, নার্গিস সুলতানা। তিনি এল.এল.বি (অনার্স) লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি এবং বি,এ (অনার্স) ভূগোল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ছাত্র লীগের সদস্য ছিলেন। তার বড় ভাই, ব্যারিস্টার নওশের আলী মোল্লা, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র এ্যাডভোকেট (আইনজীবী,দূর্নীতি দমন কমিশন)।
মেহেদী হাসান বলেন, আমি ১৯৮৯ সালে ৬ষ্ঠা শ্রেনীতে ভর্তি হওয়ার সময় স্কুলের ছাত্রলীগের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে মানপত্র পাঠের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত হই। এর পর থেকে জীবনের প্রতিটা মূহুর্তে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজিনীতির সাথে অতপ্রোতভাবে জড়িত আছি। আমি ইন্টারমিডিয়েট পড়ার সময় ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজের ছাত্রলীগের সাথে ছিলাম। আমি বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির (২০০১-২০০৩ সাল)সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করি। ২০০২ সালে আমি ব্যারিষ্টারি পড়ার উদ্দেশ্যে লন্ডন চলে যাই। ২০০৩ সালে লন্ডনে বঙ্গবন্ধু ব্যারিষ্টারস কাউন্সিল গঠন করা হলে আমি সেই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের দুশাসন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ইউকে আওয়ামীলীগ যে সমস্ত কর্মসূচি দিতেন যেমন-হাই কমিশন ঘেরাও, হাইজ অব কমান্স এ স্মারক লিপি প্রদান, অসহায় নির্যাতিত মানুষের চিত্র ব্রিটিশ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রদান করা সহ বিভিন্ন কর্মসূচীতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেছি। ২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধু আইনজীবি পরিষদ ইউকে শাখা গঠন করা হলে আমি প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। ২০১৪ সালে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হলে আমি সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। আমি বর্তমানে কেন্দীয় আওয়ামীলগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে (২০০২ এর পর থেকে)যে সব এলাকায় সফর করেছেন আমি সেই সব এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করছি।
তিনি বলেন, আমি এল.এল.বি ( অনার্স ), লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সসিটি
জি.ডি.এল গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন “ ল ’’ ( এল.এম.ইউ ),এল.পি.সি লিগাল প্রফেশনাল কোর্স ( এল.এম.ইউ ), এল.এল.এম লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সসিটি (এল.এম.ইউ) বার এ্যাট ‘ল’ এ ভর্তি আছি এবং লিঙ্কন ইন এর সদস্য। বার এ্যাট ‘ল’ ডিগ্রি শেষ হইতে আর দুইটা বিষয় বাকী আছে। বি.এ. (অনার্স) ব্যাকিংহাম শেয়ার নিউ ইউনিভার্সসিটি।
বিলেতে একটি সুনামধন্য ল ফার্ম (লুম্বিনী সলিসিটর-২৫৭ এ হোয়াইটচাপল রোড, লন্ডন ই ১, ১ ডি.বি। টেলিফোন :০২০৭২৪৭০১৩৫)এ ২০১০ থেকে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলাম।
২০১৮ সালের জানুয়ারী মাসের পর থেকে আমি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে বসবাস করছি এবং রাজবাড়ী-২ আসনের জনগণের সাথে গণ-সংযোগ করছি। আমি আমার এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচীর সাথে ছোটবেলা থেকেই জড়িত আছি।
১৯৯৮ সালে যখন আমাদের পাশের গ্রামে (বাওনারা) উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়, আমি সেই নিমার্তা কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলাম। বিদেশে যাওয়ার পরে সকল প্রকার আর্থিক এবং সার্বিক সহযোগিতার সাথে অতপ্রোরতভাবে জড়িত আছি।
এ ছাড়াও বিগত কয়েক বছরে আমি আমার এলাকায় বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। বিশেষ উল্লেখযোগ্য ২০১৪ সালে আমি আমার গ্রামে একটি কবরস্থান নির্মাণ করি।
২০১৭ সালে আমার গ্রামে একটি জামে মসজিদ নির্মাণ করি। এছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়নমূক কার্যক্রম যেমন: অসহায়, দরিদ্র ছাত্র/ছাত্রীদের বিভিন্ন রকমের বৃত্তি প্রদান, অসহায় কন্যাদায় গ্রস্থ বাবা মাকে সৎ পাত্রে কন্যাদায়ে করতে আর্থিক সহযোগিতা করি। এলাকায় রাস্তা ঘাট নির্মাণ এবং জনগণের মাঝে সন্ত্রাস এবং মাদক বিরোধী সচেতনতা তৈরি করতে এলাকার তরুন এবং বয়স্কদের নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী পালন করি। বিভিন্ন এলাকায় স্কুল-কলেজে খেলা ধূলার বিভিন্ন প্রণোদনা/সরঞ্জামাদি প্রদান করি।
আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার সমৃদ্ধশালী এবং উন্নয়নশীল বাংলাদেশ গড়ার মিশন এবং ভিশন বাস্তবায়ন করার জন্য এলাকায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করি। যেমন: গত ২০১৪ সালে কুষ্টিয়া পাড়া গ্রাম মাঝবাড়ী ইউনিয়ন কালুখালী থানায় ২০ বিঘা জমির উপর একটি পল্ট্রি ফার্ম এবং একটি আম ও লিচু বাগান করেছি।
এছাড়া মুরাট মৌজার, পাটিকাবাড়ী গ্রামের, বাহাদুরপুর ইউনিয়নের, পাংশা উপজেলার ২০ বিঘা জমির উপর ইটের ভাটার মেঝে সহ নির্মাণ করি।
রাজবাড়ী-২ আসনে পুনরায় নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে——সলিসিটর মুহাম্মদ মেহেদী হাসান
নিউজ আপডেট টাইম : নভেম্বর, ১০, ২০১৮, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে :
1149 বার
