
গোয়ালন্দঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, গোয়ালন্দ উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং পুলিশ বিভাগ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় সুকুমার চন্দ্র শীল নামের এক চিকিৎসককে ১ লক্ষ টাকাসহ আরো ২ চিকিৎসককে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এছাড়া ড্রাগ লাইসেন্স না থাকা, ফার্মাসিস্ট না থাকা অনুমোদিত ঔষুধ বিক্রি, সরকারি ঔষুধ নিজ দোকানে সংরক্ষণ করে বিক্রির অভিযোগে ১২ ফার্ম্মেসীকে জরিমানা করা হয়।
গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসিফ মাহমুদ, ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের তত্বাবধায়ক সুলতানা রিফাত ফেরদৌস এ অভিযান পরিচালনা করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, গোয়ালন্দ উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং পুলিশ বিভাগ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, চিকিৎসা করার নামে সাধারণ মানুষকে ঠকানোর অপরাধে ভূয়া চিকিৎসক হিসেবে সুকুমার মন্ডলকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে তাঁকে আগামীতে সব ধরনের চিকিৎসা সেবা থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করা হয়। ফের চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার আশ্রয় নিলে আরো বড় ধরনের শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়। এছাড়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় পল্লি চিকিৎসক হামিদ ফার্মেসীর সত্বাধিকারী আব্দুল আউয়ালকে ২০হাজার, বেবী মেডিকেলের সত্বাধিকারী হারুন-অর রশিদকে ২০হাজার, গোয়ালন্দ বাজারের নাবিলা ফার্মেসীকে ৫হাজার, ইসলামিয়া ফার্মেসীকে ৩হাজার, আবেদীন ফার্মেসীকে ৫ হাজার, উজানচর ইউনিয়নের জামতলা বাজার এলাকার রাজ মেডিকেল হলে সরকারি ঔষুধ পাওয়ায় ফার্মেসী মালিক আব্দুর রাজ্জাককে ২০হাজার, একই এলাকার নূর জাহান ফার্মেসীকে ১০হাজার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশ পথের পাশে অবস্থিত আলাউদ্দিন ফার্মেসীকে ১০হাজার, মন্ডল ফার্মেসীকে ১০হাজার, সজিব ফার্মেসীকে ৫হাজার, রুমী ফার্মেসীকে ৫হাজার ও সাহজাহান ফার্মেসীকে ১০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
