
প্রেস বিবরণ ঃ র্যাব-০৮, সিপিসি-০২ ফরিদপুর ক্যাম্প এর একটি আভিযানিক দল ০২ এপ্রিল ২০১৯ইং ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানাধীন শঙ্করপাশা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ ইকলাছ মাতুব্বর(২৮), পিতা-মৃত আওয়াল মাতুব্বর, সাং-শ্রাঙ্গাল, থানা-নগরকান্দা, জেলা-ফরিদপুরকে আটক করে। ঘটনার বিবরনে জানা যায় যে, ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানাধীন অভিযোগকারিনী জনৈকা গৃহবধুর পাশের বাড়ীর দুসর্ম্পকের এক বখাটে যুবক ইকলাছের সাথে পরিচয় হয়। এ পরিচয়ের সূত্র ধরে উক্ত ইকলাছ গৃহবধুর আপত্তিকর ছবি মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ধারন করেন। পরবর্তীতে উক্ত ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ও গোপনে ধর্ষণের ভিডিও ধারন করে রাখে। পরবর্তীতে ঐ সকল আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধুর কাছে বিভিন্ন সময়ে মোটা অংকের অর্থ ও মূল্যবান স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয়। সম্প্রতি বখাটে ইকলাছ গৃহবধুকে পুনরায় শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হওয়ার প্রস্তাব দেয়। গৃহবধু তার প্রস্তাবে রাজি না হলে ইকলাছ ইমু ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে উক্ত গৃহবধুর কিছু আপত্তিকর ছবি এলাকার কয়েকজনের মোবাইলে প্রেরণ করে এবং ইন্টারনেটে ভাইরাল করে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখায়। এ সংক্রান্তে আইনগত প্রতিকার চেয়ে উক্ত গৃহবধু র্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্পের নিকট অভিযোগ দায়ের করলে কোম্পানী অধিনায়ক মেজর নাজমুল আরেফিন পরাগ এর নেতৃত্বে অত্র ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ০২ এপ্রিল ২০১৯ইং গভীর রাতে ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানাধীন শঙ্করপাশা এলাকা হতে মোঃ ইকলাছ মাতুব্বর(২৮), কে আটক করা হয় । প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আসামী উক্ত গৃহবধুকে ধর্ষণ, ধর্ষণের ভিডিও ধারন, টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়ার ও আপত্তিকর ছবি ইমু ম্যাসেঞ্জারে প্রকাশের কথা স্বীকার করে। আটককৃত আসামীকে ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ সংক্রান্তে ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য এজাহার দাখিল করেন। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
