
প্রায় সাড়ে ৩ঘন্টা মোমবাতিই ছিলো হাস্পাতালে রোগীদের একমাত্র ভরসা
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ আধুনিককৃত রাজবাড়ী সদর হাস্পাতালে ১১ই এপ্রিল বিকাল থেকে ঝড় বাতাস ও বৃষ্টির কারনে সাড়ে ৩ ঘন্টা বন্ধ ছিলো সদর হাস্পাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ । জেনারেটর ছিলো নষ্ট । যার কারনে সাড়ে ৩ ঘন্টা রোগীদের নির্ভর করতে হয়েছে এক মাত্র মোমবাতি’র আলোর উপর ।
হাস্পাতালে গিয়ে দেখা যায় ইমারজেন্সি ডাঃ হাতের মোবাইলের আলো দিয়ে রোগী ভর্তি করছেন । কাজে ব্যাস্ত থাকায় কথা বলতে চাননি তিনি ।
ইনডোরে যেখানে রোগীরা ভর্তি থাকে সেখানে প্রতি রোগীর পাশেই জ্বলছে মোমবাতি । রোগীদের সাথে কথা হলে জানান, বৃষ্টির সময় বিদ্যুৎ গেছে এখন প্রায় ৯ টা বাজে বিদ্যুৎ নেই । একটি মোমবাতি শেষ হয়েছে আরেক টি কেবল জ্বালালাম।
শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে শোনা যায় শিশুদের চিৎকার , মায়েরা হাতে মোবাইল নিয়ে তাদের সান্তনা দেয়ার চেষ্ঠা করছে ।
কর্তব্যরত নার্স কে জিজ্ঞাসা করলাম হাঁসপাতালে জেনারেটরের কথা । তিনি সঠিক উত্তর দিতে পারলেন না । অনেক রোগী থাকায় কাজে তিনি ব্যাস্ত ছিলেন ।
ডায়রিয়া ওয়ার্ডের অবস্থা ছিলো আলোহীন প্রায় কান্নার ভৌতিক ঘর । শিশুর পায়খানা পরিষ্কার করার জন্য আলো খুজছে বাচ্চার মা । স্বামীকে পাঠিয়েছেন দোকানে মোমবাতি আনার জন্য ।
সার্জারি ওয়ার্ডে এক রোগীর অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় ডাঃ তাকে ফরিদপুরে রেফার করেছে বিদ্যুৎ নেই অন্ধকারের মধ্যেই এম্বুলেঞ্চ খবর দিয়ে ট্রলি দিয়ে রোগীকে নামাতে গিয়ে চশমা হারিয়ে খুজে পাচ্ছিলেন না রোগীর লোক । অবশেষে রাত প্রায় নয়টার পর বিদ্যুৎ এলে রোগী’র মেলে স্বস্থ্যি ।
এ বিষয়ে কথা হয় রাজবাড়ী সদর হাস্পাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ দীপক কুমারের সাথে । তিনি জানান আজ দুইদিন যাবত আমাদের হাঁসপাতালের জেনারেটর নষ্ট হয়ে গেছে । সারার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে । বিকল্প কোন ব্যাবস্থা আর নেই বলে তিনি জানান । বিদ্যুৎ অফিসে বলেছি ২ টা লাইনের একটা আমাদের দেন । কিন্তু এখনো বিদ্যুৎ পাইনি ।
রাজবাড়ী বিদ্যুৎ অফিসের এক্সএন আমিনুল ইসলাম জানান – ঝড়ের কারনে রাজবাড়ীতে প্রায় ৩ ঘন্টার বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিলো । কোথায় লাইনে ফল্ট হয়েছে তা খুজে বেড় করতে অনেক সময় লেগেযায় ।
