
১লা মে থেকে ফেরীতে নির্ধারিত মূল্যেই পণ্য পাবেন ভোক্তারা
পাটুরিয়া-দৌলৎদিয়া নৌরুটে চলাচলকারী ফেরীগুলোর ক্যান্টিনে নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে পণ্য (যেমন- পানি, কোমল পানীয়, বিস্কিট, কেক, সিগারেট ইত্যাদি) বিক্রয়, খাবারের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, পঁচা-বাসি এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ্ খাবার সরবরাহ সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে ভোক্তাদের। এই সকল অভিযোগ আমলে নিয়ে অবিরাম কাজ করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ। ফেরীগুলোতে কয়েকবার অভিযান চালানো হয়েছে, মতবিনিময় এবং গণশুনানি করা হয়েছে ক্যান্টিন মালিকদের সাথে। নানা অজুহাতে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন করে যাচ্ছিল ক্যান্টিন মালিকেরা। কিন্তু এই সকল অনিয়ম রোধে কঠোর অবস্থানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। জেলা প্রশাসক, মানিকগঞ্জ এস এম ফেরদৌস স্যার ও উপ-পরিচালক (উপ সচিব), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার এর নির্দেশনায় ২৩ এপ্রিল ২০১৯ ইং তারিখে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর কঠোর বাস্তবায়ন ও মেনে চলতে ফেরীর ক্যান্টিন মালিকদের উদ্বুদ্ধ ও পুনরায় সতর্ক্ করা হয়। একই সাথে ক্যান্টিনের দৃশ্যমান স্থানে খাবারের মূল্য তালিকা প্রদর্শ্ন, স্বাস্থ্যকর উপায়ে মানসম্মত খাবার পরিবেশন, নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্য না নেওয়া, মেয়াদ উত্তীর্ণ্ পণ্য বা খাদ্য সংরক্ষণ না করা এবং ভোক্তা অধিকার রক্ষায় ও ভোক্তাদের অভিযোগ জানানোর সুবিধার্থে প্রতিটি ক্যান্টিনে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ ও রাজবাড়ি কার্যালয়ের মোবাইল নম্বর সহ ঠিকানা প্রদর্শ্ন করা।
ক্যান্টিন মালিকেরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে তারা আগামী ০১ মে ২০১৯ তারিখ হতে উল্লেখিত নির্দেশনা মেনে চলবেন এবং ভোক্তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ্ আদায় হতে বিরত থাকবেন। ০১ মে ২০১৯ তারিখের পর যদি কোন ফেরীর ক্যান্টিনে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন প্রমাণিত হয় তাহলে উক্ত প্রতিষ্ঠান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর অভিযুক্ত ধারায় সর্বোচ্চ দন্ডে দন্ডিত হবেন।
আসন্ন ঈদে পাটুরিয়া-দৌলৎদিয়া নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীদের ন্যায্যতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ।
