সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ব বিদ্যালয়ের সহকারী রেজিষ্ট্রার ও ‘ইতিহাসের পাতায় কেন্দুয়া’ গ্রন্থের লেখক খন্দকার সফিকুল ইসলাম।
খন্দকার সফিকুল ইসলামের ভাতিজা মজনু খন্দকার জানান,বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহ শহরের নিজ বাস ভবনে তিনি মারা যান । মারা যাওয়ার আগে তিনি জীবনের ৬৮ টি বছর অতিক্রম করেছেন। বেশ কিছু দিন ধরে তিনি নানা রোগে ভুগছিলেন।
বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌর শহরের দিগদাইর হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে নামাজে জানাযা শেষে নিজের দিগদাইর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,৩ ছেলে ও ২ কন্যা সন্তানসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
লেখক খন্দকার সফিকুল ইসলাম চাকুরীর পাশাপাশি কেন্দুয়াকে নিয়ে গবেষণা করে ৩০ বছরের সংগ্রহ তথ্য দিয়ে ‘ইতিহাসের পাতায় কেন্দুয়া’ নামক গ্রন্থটি লেখে নতুন প্রজন্মকে উপহার দিয়ে গেছেন।
